বুদ্ধি বাড়ে খালি পায়ে হাঁটলে

ডেক্স: কর্মব্যস্ত জীবনে শরীরের যত্ন নেয়া বেশিরভাগ সময়ই সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই তো এমন সহজ পদ্ধতিগুলোর সাহায্য নেয়া উচিত। না হলে একদিকে যেমন কমবে আয়ু, তেমনি বাড়বে একাধিক রোগের প্রকোপ। খালি পায়ে হাঁটার উপকারিতা কী কী?
১। ঠিকমতো ঘুম আসে না? এই সমস্যার শিকার যদি আপনিও হয়ে থাকেন তো আজ থেকেই খালি পায়ে হাঁটা শুরু করুন। তাহলে আর না ঘুমিয়ে রাত্রি যাপন করতে হবে না। কারণ খালি পায়ে হাঁটার সময় আমাদের শরীর থেকে নেগেটিভ এনার্জি বেরিয়ে যায়। সেই সঙ্গে স্ট্রেস রিলিজও হয়। মস্তিষ্কে বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যাওয়ার কারণে ঘুম আসতে আর কোনো অসুবিধাই হয় না।

২। বুদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়: মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে একটু খালি পায়ে হাঁটাহাঁটি করুন। এমনটা করলে ধীরে ধীরে মস্তিষ্কের নিউরনগুলো মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে অ্যাকটিভ হয়ে যাবে। ফলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়, তেমনি বুদ্ধির জোরও বাড়তে শুরু করবে।

৩। রক্তচলাচল স্বাভাবিক করে: খালি পায়ে হাঁটার সময় মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে সারা শরীরে রক্ত চলাচল ঠিকমতো হতে শুরু করে। ফলে অক্সিজেন সমৃদ্ধি রক্ত বেশি বেশি করে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে পৌঁছে গিয়ে তাদের কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

৪। হার্ট ভালো রাখে: শরীরে রক্ত চলাচল যখন স্বাভাবিকভাবে হতে থাকে, তখন ব্লাড ক্লট এবং আর্টারিতে ময়লা জমার আশঙ্কা কমে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নানাবিধ হার্টের রোগ হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে থাকে না বললেই চলে। খালি পায়ে হাঁটার আরেকটি উপকারিতা হলো, এই সময় ব্লাড সেলগুলো মারাত্মক অ্যাকটিভ হয়ে যায়। ফলে রক্ত ঘন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৫। দৃষ্টিশক্তির উন্নতি করে: একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়েছে যে প্রতিদিন ভোর বেলা, খালি পায়ে ঘাসের ওপর হাঁটলে পায়ের তলায় থাকা একাধিক প্রেসার পয়েন্টে চাপ পড়তে শুরু করে। এসব প্রেসার পয়েন্টের সঙ্গে চোখের সরাসরি যোগ রয়েছে। ফলে পায়ের তলায় যত চাপ পরে, তত দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটতে শুরু করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.