কসমেটিক্স ব্যবহারে সতর্কতা

অনলাইল ডেক্স: নারী-পুরুষ নির্বিশেষে আজকালকার ফ্যাশন সচেতন প্রজন্ম বিভিন্ন ধরণের কসমেটিক্স ব্যবহার করে থাকেন।যদিও এক্ষেত্রে জনপ্রিয়তার হের-ফের আছে। তা সত্ত্বেও কসমেটিক্সের ন্যূনতম ছোঁয়া ছাড়া কোনো সাজই সম্পূর্ণ হয় না। তবে কোনো কোনো সময় কিছু প্রোডাক্ট ব্যবহার করতে গিয়ে আমাদের ত্বকের গুরুতর ক্ষতি হয়ে যায় আর সে ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে গিয়ে আমরা দেরি করে ফেলি। তাই গ্যালারি থেকে জেনে নিন কিভাবে কসমেটিক্স ব্যবহারের পূর্বেই সচেতন হবেন।
হেয়ার কালার: হেয়ার কালার মানেই অ্যামোনিয়ার সঙ্গে থাকে পি-ফেনিলেনিডিয়ামিন। যা শরীরের পক্ষে খুবই ক্ষতিকর। ক্যান্সার, রিপ্রোডাক্টিভ টক্সিসিটি, নিউরোটক্সিসিটি, অ্যালার্জি, চোখে, বা মুখের ত্বকে র্যাশ প্রভৃতি নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আই পেইন্ট: অনেক কাজলেই লেড বা পারদ থাকে। যা চোখের পক্ষে খুবই খারাপ। এই ধরনের কাজল চোখে লাগালে অনেক সময় চোখ চুলকায়, লাল হয়ে যায়। কনজাঙ্কটিভাইটিস, গ্লুকোমা, ড্রাই আইয়ের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
নেইল পেইন্ট: বিভিন্ন রঙে নখ রাঙাতে পছন্দ করেন অনেকেই। কিন্তু জানেন কি নেইল পেইন্টে থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যাসিটোন? যা আপনার নখের স্বাভাবিক রং নষ্ট করে দেয়। নখ হলুদ হয়ে যায়। পাশাপাশি নখ দুর্বলও হয়ে যায় একটানা নেইল পেইন্টের ব্যবহারে।
ময়েশ্চারাইজার: বেশিরভাগ ময়েশ্চরাইজার এবং ফেস ক্রিমেই লেড থাকে। থাকে নানা রকম সিন্থেটিক কেমিক্যালও। যা ত্বকের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকর।
লিপস্টিক: লিপস্টিকের ক্ষতিকর কেমিক্যাল ক্ষতি করতে পারে ব্রেনে। ফলে আচরণে অস্বাভিকতা, ত্বকের ছিদ্রগুলো বন্ধ হয়ে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে।

ট্যালকম পাউডার: ট্যালকম পাউডার আমাদের দেহের স্বাভাবিক ঘাম হওয়ার পদ্ধতিতে বাধা দেয়। ত্বক তার প্রয়োজন মতো বর্জ্য পদার্থ দেহের বাইরে না বের করতে পারলে তা ত্বকের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। পাশাপাশি পাউডারে থাকে কার্সিনোজেনিক পদার্থও। ট্যালকম পাউডার থেকে অ্যালার্জি এবং ফুসফুসের সমস্যাও হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.