অস্থিরতা ফেনীর চালের বাজারে

ফেনী: ফেনীতে লাফিয়ে বাড়ছে সবধরনের চালের দাম। বস্তা প্রতি ২শ থেকে ৪শ টাকা পর্যন্ত বাড়ছে। বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে দেশের বিভিন্ন জেলায় আমন ও আউশ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বাজারে সংকটের অজুহাতে এ অস্থিরতার ফলে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। সোমবার চালের মোকাম ইসলামপুর রোড ও তাকিয়া রোড ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কোরবানির ঈদের পর থেকে নাজিরশাইল বস্তা প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ২শ টাকা। এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৯শ টাকায়। সোনার মকুট বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৯শ টাকা। এর আগে বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৭শ ২০ টাকায়। রজনিগন্ধা মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার টাকা। এর আগে বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৭শ ১০ টাকা। এগ্রোফুড ঘড়ি মার্কা মোটা চাল বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৩শ ২০ টাকায়। বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫শ ৩০ টাকায়। নুরজাহান বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ২শ ২০টাকা। বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৪শ ২৫ টাকা। নবাব পায়জাম বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ১শ ৫০টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫শ ৫০ টাকা ও বসাক গুটি বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ২শ টাকা, বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩শ টাকা। এছাডাও আতপ সহ সবধরনের চালের দাম ২শ থেকে ৪শ টাকা পর্যন্ত বেশি গুনতে হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি না থাকা ও হাওরাঞ্চলে ফসলহানির কারণে চালের সংকট সৃষ্টি হওয়ায় মূল বাড়ছে। এছাড়া পরিবহন ব্যয়ও বেড়েছে।

তাকিয়া রোডের ব্যবসায়ী আবুল কালাম জানান, দেশের বিভিন্ন চালের মিল মালিক ও পাইকারী বাজারে দাম বাড়ায় জেলা শহরে এর প্রভাব পড়েছে। এছাড়া চাহিদা মত চাল দিতে পারছেনা আড়ৎদাররা। যার ফলে পাইকাররা তাদের দেয়া মূল্যে চাল কিনতে বাধ্য হচ্ছে।

ফেনী বড় বাজারের খুচরা বিক্রেতা সালামত উল্যাহ জানান, আমরা যেভাবে ক্রয় করি সেভাবে বিক্রি করছি। এর চেয়ে বেশি তিনি কথা বলতে রাজি হননি।

ফেনী প্রতিনিধি/নোয়াখালীনিউজ/এসইউ

Leave a Reply

Your email address will not be published.