কোম্পানীগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতাকে পিটিয়ে জখম করল পুলিশ

কোম্পানীগঞ্জ: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই মাসুদ কামাল একটি অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়ে সাবেক ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দেলওয়ার হোসেন সুজনকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দুপুর ১২টায় উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড তালতলা এলাকায়।

এঘটনার প্রতিবাদে উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ সংগঠিত হয়ে থানায় গিয়ে এসআই মাসুদ কামালের বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানায়। আহত দেলওয়ার হোসেন সুজন চরকাঁকড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিল।

আহত দেলওয়ার হোসেন সুজন জানান, তাদের বাড়ির মনোয়ারা বেগম বাদি হয়ে সুজনসহ ২ জনের বিরুদ্ধে মারধরের একটি অভিযোগ দায়ের করে থানায়। এস আই মাসুদ কামাল সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে মনোয়ারা বেগমের দায়ের করা অভিযোগটি তদন্ত করতে চরকাঁকড়া ইউনিয়নের তালতলা এলাকায় যায়। সেখানে গিয়ে সুজনের সাথে দেখা হয় এস আই মাসুদ কামালের সাথে। এসআই মাসুদ কামাল সুজনকে বলে তোমার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ আছে। তখন সুজন এস আই মাসুদ কামালকে বলে, আমার বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগটির সত্যতা যাচাই করে দেখেন, আমি অপরাধী কিনা। এসময় এস আই মাসুদ কামাল একজন শিশু ছাত্রের কাছ থেকে স্টীলের স্কেল নিয়ে দেলওয়ার হোসেন সুজনকে বেদম মারধর করে। এতে সুজন রক্তাক্ত আহত হয়। এরপর সুজন বিষয়টি উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দকে অবগত করে। উপজেলা ছাত্রলীগ, বসুরহাট পৌরসভা ছাত্রলীগ ও সরকারী মুজিব কলেজ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দরা সংগঠিত হয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানায় গিয়ে ওসির অফিসে ঢুকে এসআই মাসুদ কামালের শাস্তি মূলক ব্যবস্থার দাবি করে। অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ মোঃ ফজলে রাব্বী ও (ওসি তদন্ত) মোঃ রবিউল হক শাস্তির আশ্বাস দিয়ে বিক্ষুব্দদের সকলকে নিবৃত্ত করেন।

এসআই মাসুদ কামাল ছাত্রলীগ নেতা মারধরের কথা স্বীকার করে বলেন, একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে অভিযুক্ত সুজনের সাথে দেখা হয়। তাকে অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে খারাপ আচরন করে এবং আমাকে উত্তপ্ত কথা-বার্তা বলে।

এব্যাপারে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ মোঃ ফজলে রাব্বী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি পুলিশের উর্ধ্বেতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। আহত সুজনকে একটি লিখিত অভিযোগ দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

প্রতিবেদক/নোয়াখালীনিউজ/এসইউ

Leave a Reply

Your email address will not be published.