লক্ষ্মীপুরে প্রথম বারের মতো উপকূল দিবস পালিত

লক্ষ্মীপুর : “উপকূলের জন্য হোক একটি দিন, কন্ঠে বাজুক প্রান্তজনের কথা” এই প্রতিপাদ্যে ১২ নভেম্বর উপকূলীয় এলাকায় সেই ভয়ঙ্কর দিনের কথা স্মরন করতে লক্ষ্মীপুরে প্রথমবারের মতো পালিত হয়ে প্রস্তাবিত উপকূল দিবস। দিবসটি উপলক্ষে সকালে র‌্যালী, আলোচনা সভা ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। র‌্যালীটি শহরের তমিজ মাকের্ট থেকে শুরু করে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে স্থানীয় একটি পত্রিকা কার্যালয়ে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, লক্ষ্মীপুর সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মাইন উদ্দিন পাঠান। সিনিয়র সাংবাদিক আলী হোসেনে সঞ্চলনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা বিএমএ সভাপতি ডাঃ আশফাকুর রহমান মামুন, লক্ষ্মীপুর বঙ্গবন্ধু পরিষদ সভাপতি শাহজাহান কামাল, দালালবাজার কলেজের প্রভাষক আজিজুর রহমান আযম, চন্দ্রগঞ্জ কফিল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক কার্তিক সেন গুপ্ত প্রমূখ। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন নেতৃবৃন্দ।
এছাড়া অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অনুষ্ঠানের সমন্বায়ক ও লক্ষ্মীপুর টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক ও সিইও সানা উল্যাহ সানু, বাংলানিউজের স্টাফ করেসপন্ডেন্ট সাজ্জাদুর রহমান, মাছরাঙা টিভি ও মানবকন্ঠ জেলা প্রতিনিধি শাকের মোহাম্মদ রাসেল, মোহনা টিভি জেলা প্রতিনিধি মামুনুর রশিদ সহ স্থানীয় জাতীয় প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মী বৃন্দ।
প্রসঙ্গত : ১৯৭০ সালের এই দিনে মহাপ্রলয়ংকারী ঘূর্ণীঝড় ও জলোচ্ছ্বাস দ্বীপ জেলা লক্ষ্মীপরের রামগতির উপর দিয়ে বয়ে যাওয়ায় ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে। স্মরণকালের ভয়াবহ এই দুর্যোগে জেলার রামগতি ও বর্তমান কমলনগর উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলের লন্ডভন্ড হয়ে যায় সব কিছু। প্রাণ হারায় প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। মেঘনা নদীর উত্তাল ঢেউয়ের প্রবল স্রোতের টানে ভাসিয়ে নিয়ে যায় গবাদি-পশু, ঘর-বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অনেক গুরুত্বপূর্ন স্থাপনা। বিলীন হয়ে যায় দুই উপজেলার বেঁড়িবাধসহ অনেক জনপদ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদক বিএম সাগর।
এদিকে দিনটিকে জাতীয়ভাবে উপকূল দিবস হিসেবে ঘোষাণার দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় উপকূলবাসী।
প্রতিনিধি/নোয়াখালীনিউজ/এসইউ

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.