লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগ নেতার মহৎ উদ্যোগ

লক্ষ্মীপুর: লক্ষীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেন লোটাস’র নির্দেশে সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা নিয়ে কমলনগরে একটি কাঠের সেতু নির্মাণ করেন জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মাইন উদ্দিন মাইন। এতে করে প্রতিদিন সুফল ভোগ করছেন কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষসহ স্থানীয় স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। ছাত্রলীগ নেতার এমন মহৎ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে স্থানীয়রা।

জানা যায়, লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর মার্টিন ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মরহুম আবু ছায়েদ চেয়ারম্যান সড়ক ও বশির উল্লাহ সড়কের সংযোগ স্থল বাতিরখালের উপর একটি ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো ছিল। যা দিয়ে গ্রামের মানুষ, কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতো। জেলা ছাত্রলীগ নেতা মাইন উদ্দিন উদ্যোগ নিয়ে একটি কাঠের সেতু নির্মাণ করে। নির্মিত কাঠের সেতুটি সংলগ্ন পশ্চিম চর মার্টিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দক্ষিণ চর মার্টিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দু’টি জামে মসজিদ রয়েছে। এছাড়াও এর কিছু দূর অবস্থিত ইউনিয়নের প্রাণকেন্দ্র মুন্সিগঞ্জ বাজার, মুন্সিগঞ্জ সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা, মার্টিন উচ্চ বিদ্যালয়, একটু দক্ষিণে চৌধুরী বাজার ও চৌধুরী বাজার উচ্চ বিদ্যালয় অবস্থিত।

ছাত্রলীগ নেতার এমন মহৎ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয়রা বলেন, কাঠের সেতুটি নির্মাণে পিছিয়ে থাকা এই এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থার এক নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। সরকারি ভাবে দ্রুত একটি ইট-পাথরের সেতু নির্মাণের জোর দাবি জানিয়েছে তারা।

শিক্ষার্থীরা জানান, আগে স্কুলে যেতে হলে অনেক দূর ঘুরে যেতে হতো। আবার অনেক দূর ঘুরে বাড়িতে আসতে হতো। কাঠের সেতুটি স্থাপনের পর এখন অবস্থার কিছু পালাবদল হয়েছে।

স্থানীয় মসজিদ কমিটির সভাপতি কামাল হোসেন মাঝি বলেন, এলাকার মানুষের সহযোগিতায় কাঠের সেতুর মতো উন্নয়নমূলক উদ্যোগটিকে যুগান্তকারী বলা যেতে পারে। কিন্তু আমরা দীর্ঘ দিন ধরে সেতু নির্মাণের যে দাবিটি করে আসছি, তার আশানুরুপ ফলাফল আসছে না।
এ বিষয়ে কাঠের সেতুটি নির্মাণের উদ্যোগকারী জেলা ছাত্রলীগ নেতা মাইনউদ্দিন মাইন বলেন, গ্রামের সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের কথা ভেবে এলাকার বিত্তশালীদের সহযোগীতা এবং ব্যক্তিগত ভাবে কিছু টাকা দিয়ে কিছু অংশে মাটি ভরাট করে কাঠের সেতুটি স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছি। তিনি আরো বলেন, কাঠের সেতুটি দিয়ে এখন হাজারো গ্রামবাসী, ষ্কুল-মাদ্রাসার অসংখ্য ছেলে-মেয়েরা আলোকিত হওয়ার জন্য শিখতে যায়। এতে এখানে একটি ব্রীজ স্থাপন জরুরী হয়ে পড়ছে। যা এই এখানকার বসাবসরত হাজারো মানুষের প্রাণের দাবি। এজন্য সরকারিভাবে এখানে একটি ব্রীজ নির্মাণের দাবিও জানাই তিনি।

প্রতিনিধি/নোয়াখালীনিউজ/এসইউ/৯ জুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.